ঘোষ পরিবারে পালিত হল-- লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান দিবস।
আজ ৩রা জুন বুধবার,আজ সকাল থেকেই পালিত হচ্ছে লোকনাথ বাবার আশ্রম সহ সারা দেশ জুড়ে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান দিবস।আর ঠিক তার সাথে সাথেই পালিত হচ্ছে বীরেন রায় রোডের বকুলতলা স্থিত ঘোষ পরিবারে ১৩৬ তম লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস। এমনটাই জানালেন ঘোষ পরিবারের, মা সর্বাণী ঘোষ, মেয়ে রাজশ্রী ঘোষ এবং কন্যা শ্রীজিতা ঘোষ।
দীর্ঘদিন ধরেই এই দিনটিতে সর্বানী ঘোষ নিষ্ঠার সহিত লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস পালন করে আসছেন। আর তাহার সাথে সাথে আজও একই ভাবে মা সর্বানী ঘোষ মেয়ে রাজশ্রী ঘোষ এবং তাহার কন্যা শ্রীজিতা ঘোষ বাড়িতে লোকনাথ বাবার মূর্ত স্থাপন করে এই দিনটি পালন করছেন।
তাহারা জানালেন, আমরা বাবার এই তিরোধান দিবস পালন করি, কোনরকম পুরোহিত উচ্চারণের মাধ্যমে নয়, নিজেরা বাবা কি আসনে বসিয়ে, বাবার পছন্দ সই খাবার সাজিয়ে নিষ্ঠা ভরে নিজেরা পুজো করি এবং বাবার জয় ধ্বনি দিয়ে, পাঁচালী পড়ে বাবার অতি শ্রদ্ধা জানাই। বাবা কি শতকোটি প্রণাম জানাই।
আজকের দিনে বাবার আশ্রমে হাজার হাজার ভক্ত সমাগম হলেও আমরা এই বিশেষ দিনটি বাড়িতে পালন করে থাকি। তবে বাবার পুজোর আয়োজনে কোন কিছু খামতি রাখেননি, চেষ্টা করেন, বাবা যেগুলি খেতে ভালবাসতেন সেগুলির আয়োজন করা, সেই মতোই আজকের দিনে ঘোষ পরিবার আয়োজন করেছেন।
আয়োজনে ছিল ৫১ পিস অমৃতি, একটি ডাব, ৫০০ গ্রাম মিষ্টি দই, সন্দেশ, তালশাস, খেজুর ,বাতাসা ,মিছরি , মাখন, কলা, তরমুজ, লিচু, আপেল, শসা, পেয়ারা ইত্যাদি।
তেমনি বাবাকে সুন্দর রজনীগন্ধার কোটের মালা ও পদ্ম ফুল ও নীলকন্ঠ ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে তুলেছিলেন। ঘোষ পরিবার তাহাদের সাধ্যমত আয়োজন করেছিলেন, সারাদেশে এই ভাবেই বাবা লোকনাথকে আজ স্মরণ করেছেন।
১৮৯০ সালের ৩রা জুন ,বাংলার উনিশে জ্যৈষ্ঠ তিনি দেহত্যাগ করেন, রেখে গিয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্তদের।তিনি ভক্তদের উদ্দেশ্যে একটি বাণী স্মরণ করিয়ে দিয়ে গেছিলেন, রণে বনে জনে জঙ্গলে যেখানেই বিপদে পড়বে- আমাকে স্মরণ করবে- আমি রক্ষা করিব।
তাহার জীবনযাপন ছিল সরল ও সাদা সিধে, এমনকি সব ভক্তকে সমান চোখে দেখতেন স্নেহ ও ভালবাসায়, ভক্তদের বুকে টেনে নিতেন , তাদের জীবনের শিক্ষায় দীক্ষিত করতেন। আমি আরো একটি কথা ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলে গিয়েছেন-----
দিনের শেষে যখন ঘুমাতে যাবে, তখন ভেবে দেখবে, সারাদিন কি কি কাজ করেছো, কোনটা ঠিক কোনটা ভুল, নিজেই নিজের বিচার বুদ্ধিতে বুঝে নিতে পারবে। এর জন্য কাউকে ডাকতে হবে না বা কারো কাছে জানতে হবে না।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ঘোষ পরিবারে পালিত হল-- লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান দিবস।
আজ ৩রা জুন বুধবার,আজ সকাল থেকেই পালিত হচ্ছে লোকনাথ বাবার আশ্রম সহ সারা দেশ জুড়ে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান দিবস।আর ঠিক তার সাথে সাথেই পালিত হচ্ছে বীরেন রায় রোডের বকুলতলা স্থিত ঘোষ পরিবারে ১৩৬ তম লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস। এমনটাই জানালেন ঘোষ পরিবারের, মা সর্বাণী ঘোষ, মেয়ে রাজশ্রী ঘোষ এবং কন্যা শ্রীজিতা ঘোষ।
দীর্ঘদিন ধরেই এই দিনটিতে সর্বানী ঘোষ নিষ্ঠার সহিত লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস পালন করে আসছেন। আর তাহার সাথে সাথে আজও একই ভাবে মা সর্বানী ঘোষ মেয়ে রাজশ্রী ঘোষ এবং তাহার কন্যা শ্রীজিতা ঘোষ বাড়িতে লোকনাথ বাবার মূর্ত স্থাপন করে এই দিনটি পালন করছেন।
তাহারা জানালেন, আমরা বাবার এই তিরোধান দিবস পালন করি, কোনরকম পুরোহিত উচ্চারণের মাধ্যমে নয়, নিজেরা বাবা কি আসনে বসিয়ে, বাবার পছন্দ সই খাবার সাজিয়ে নিষ্ঠা ভরে নিজেরা পুজো করি এবং বাবার জয় ধ্বনি দিয়ে, পাঁচালী পড়ে বাবার অতি শ্রদ্ধা জানাই। বাবা কি শতকোটি প্রণাম জানাই।
আজকের দিনে বাবার আশ্রমে হাজার হাজার ভক্ত সমাগম হলেও আমরা এই বিশেষ দিনটি বাড়িতে পালন করে থাকি। তবে বাবার পুজোর আয়োজনে কোন কিছু খামতি রাখেননি, চেষ্টা করেন, বাবা যেগুলি খেতে ভালবাসতেন সেগুলির আয়োজন করা, সেই মতোই আজকের দিনে ঘোষ পরিবার আয়োজন করেছেন।
আয়োজনে ছিল ৫১ পিস অমৃতি, একটি ডাব, ৫০০ গ্রাম মিষ্টি দই, সন্দেশ, তালশাস, খেজুর ,বাতাসা ,মিছরি , মাখন, কলা, তরমুজ, লিচু, আপেল, শসা, পেয়ারা ইত্যাদি।
তেমনি বাবাকে সুন্দর রজনীগন্ধার কোটের মালা ও পদ্ম ফুল ও নীলকন্ঠ ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে তুলেছিলেন। ঘোষ পরিবার তাহাদের সাধ্যমত আয়োজন করেছিলেন, সারাদেশে এই ভাবেই বাবা লোকনাথকে আজ স্মরণ করেছেন।
১৮৯০ সালের ৩রা জুন ,বাংলার উনিশে জ্যৈষ্ঠ তিনি দেহত্যাগ করেন, রেখে গিয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্তদের।তিনি ভক্তদের উদ্দেশ্যে একটি বাণী স্মরণ করিয়ে দিয়ে গেছিলেন, রণে বনে জনে জঙ্গলে যেখানেই বিপদে পড়বে- আমাকে স্মরণ করবে- আমি রক্ষা করিব।
তাহার জীবনযাপন ছিল সরল ও সাদা সিধে, এমনকি সব ভক্তকে সমান চোখে দেখতেন স্নেহ ও ভালবাসায়, ভক্তদের বুকে টেনে নিতেন , তাদের জীবনের শিক্ষায় দীক্ষিত করতেন। আমি আরো একটি কথা ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলে গিয়েছেন-----
দিনের শেষে যখন ঘুমাতে যাবে, তখন ভেবে দেখবে, সারাদিন কি কি কাজ করেছো, কোনটা ঠিক কোনটা ভুল, নিজেই নিজের বিচার বুদ্ধিতে বুঝে নিতে পারবে। এর জন্য কাউকে ডাকতে হবে না বা কারো কাছে জানতে হবে না।

আপনার মতামত লিখুন