পীরগাছায় গভীর রাতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, নগদ অর্থ লুটের অভিযোগ
পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি:- রংপুরের পীরগাছায় ইটাকুমারী ইউনিয়নের ছোট ঝিনিয়া গ্রামে গভীর রাতে একটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর এবং নগদ তিন লক্ষ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় আহত দুইজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী মুক্তা আক্তার বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ছোট ঝিনিয়া গ্রামের মুক্তা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ১৫ জুন ২৬,রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধনীর বাজার এলাকায় তার ভাগিনা তুহিনের সঙ্গে কয়েকজনের কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়।
ওই ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে মামুন, দেলোয়ার, শামীম মিয়া, সবুজ মিয়া, মাহাবুর মিয়া ও ইছাহাক আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুক্তা আক্তারের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা বাড়ির গেট ও বেড়া ভাঙচুর করে এবং ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র নষ্ট করে।
বাধা দিতে গেলে ভুক্তভোগী মুক্তা আক্তারের নানা ইদ্রিস আলী (৬০) ও বড় বোন এলেকা বেগম (৪৫) হামলার শিকার হন। এতে ইদ্রিস আলীর হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয় এবং এলেকা বেগমের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলাকারীরা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি একটি ড্রয়ারে রাখা নগদ তিন লক্ষ টাকা নিয়ে চলে যায়।
ভুক্তভোগী মুক্তা আক্তার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধ চলে আসছে। পরিকল্পিতভাবে তারা গভীর রাতে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা লুট করেছে।
আমরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের একজন বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পূর্বের বিরোধের জেরে আমাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এসব অভিযোগ করা হয়েছে।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জানান, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
পীরগাছায় গভীর রাতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, নগদ অর্থ লুটের অভিযোগ
পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি:- রংপুরের পীরগাছায় ইটাকুমারী ইউনিয়নের ছোট ঝিনিয়া গ্রামে গভীর রাতে একটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর এবং নগদ তিন লক্ষ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় আহত দুইজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী মুক্তা আক্তার বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ছোট ঝিনিয়া গ্রামের মুক্তা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ১৫ জুন ২৬,রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধনীর বাজার এলাকায় তার ভাগিনা তুহিনের সঙ্গে কয়েকজনের কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়।
ওই ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে মামুন, দেলোয়ার, শামীম মিয়া, সবুজ মিয়া, মাহাবুর মিয়া ও ইছাহাক আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুক্তা আক্তারের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা বাড়ির গেট ও বেড়া ভাঙচুর করে এবং ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র নষ্ট করে।
বাধা দিতে গেলে ভুক্তভোগী মুক্তা আক্তারের নানা ইদ্রিস আলী (৬০) ও বড় বোন এলেকা বেগম (৪৫) হামলার শিকার হন। এতে ইদ্রিস আলীর হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয় এবং এলেকা বেগমের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলাকারীরা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি একটি ড্রয়ারে রাখা নগদ তিন লক্ষ টাকা নিয়ে চলে যায়।
ভুক্তভোগী মুক্তা আক্তার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধ চলে আসছে। পরিকল্পিতভাবে তারা গভীর রাতে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা লুট করেছে।
আমরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের একজন বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পূর্বের বিরোধের জেরে আমাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এসব অভিযোগ করা হয়েছে।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জানান, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন