ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

নান্দাইলে বসতঘর নির্মাণে প্রতিবেশীর বাধা, ছাদ ঢালাই কাজ বন্ধে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি।

নান্দাইলে বসতঘর নির্মাণে প্রতিবেশীর বাধা, ছাদ ঢালাই কাজ বন্ধে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি।

কদমতলীতে এতিম পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ রাতের আঁধারে রাস্তা নির্মাণ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা।

কদমতলীতে এতিম পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ রাতের আঁধারে রাস্তা নির্মাণ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা।

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনিয়মে ব্যবস্থার আশ্বাস

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনিয়মে ব্যবস্থার আশ্বাস

শিক্ষার মান উন্নয়নে দোহারে ঢাকা জেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ

শিক্ষার মান উন্নয়নে দোহারে ঢাকা জেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ

ফুলপুরে নবনিযুক্ত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফুলপুরে নবনিযুক্ত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

টাঙ্গাইলে ৪ ক্লিনিক-হাসপাতালকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা, পাইলট হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ সিলগালা

টাঙ্গাইলে ৪ ক্লিনিক-হাসপাতালকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা, পাইলট হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ সিলগালা

ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা বদলগাছী মডেল মসজিদের মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা বদলগাছী মডেল মসজিদের মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আবারও অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন করিম সিদ্দিক

আবারও অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন করিম সিদ্দিক

বারবার আবেদন, তবুও সংস্কার হয়নি রাস্তা: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

বারবার আবেদন, তবুও সংস্কার হয়নি রাস্তা: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

বারবার আবেদন, তবুও সংস্কার হয়নি রাস্তা: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

মুহাঃ আশরাফুল ইসলাম, মনপুরা প্রতিনিধি:- ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বহুবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটির বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং কোথাও কোথাও রাস্তার মাটিও ভেঙে নিচু হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে কাদার সৃষ্টি হয়, যার ফলে পুরো রাস্তাটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। শুকনো মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষাকালে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়দের দুর্ভোগ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এই সড়কটি এলাকার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তার এমন বেহাল অবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ রোগীদের। জরুরি মুহূর্তে রোগী পরিবহনেও চরম সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রাতের বেলায় দুর্ভোগ আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অন্ধকারে গর্ত ও কাদার কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় পথচারী ও যানবাহন চালকদের। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য রাস্তাটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় আলেম হাফেজ মাওলানা নাহিদ হাসান শাহীন বলেন, “আমরা বহুবার আবেদন করেছি। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত রাস্তার কোনো সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। মনে হচ্ছে আমাদের দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই। জনগণের কষ্টের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।”

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো উন্নয়ন কাজ চোখে পড়েনি। বারবার আবেদন করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। তারা মনে করেন, রাস্তার এই দুরবস্থার কারণে এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক। তাদের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করলে সাধারণ মানুষের চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হতে পারে এবং দুর্ভোগ আরও বেড়ে যেতে পারে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনগণের নিরাপদ ও স্বাভাবিক যাতায়াত নিশ্চিত করা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই তারা অবিলম্বে রাস্তা পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

এখন এলাকাবাসীর একটাই প্রশ্ন— বারবার আবেদন করার পরও এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের শেষ কবে হবে?

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


বারবার আবেদন, তবুও সংস্কার হয়নি রাস্তা: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image

বারবার আবেদন, তবুও সংস্কার হয়নি রাস্তা: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

মুহাঃ আশরাফুল ইসলাম, মনপুরা প্রতিনিধি:- ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বহুবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটির বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং কোথাও কোথাও রাস্তার মাটিও ভেঙে নিচু হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে কাদার সৃষ্টি হয়, যার ফলে পুরো রাস্তাটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। শুকনো মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষাকালে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়দের দুর্ভোগ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এই সড়কটি এলাকার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তার এমন বেহাল অবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ রোগীদের। জরুরি মুহূর্তে রোগী পরিবহনেও চরম সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রাতের বেলায় দুর্ভোগ আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অন্ধকারে গর্ত ও কাদার কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় পথচারী ও যানবাহন চালকদের। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য রাস্তাটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় আলেম হাফেজ মাওলানা নাহিদ হাসান শাহীন বলেন, “আমরা বহুবার আবেদন করেছি। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত রাস্তার কোনো সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। মনে হচ্ছে আমাদের দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই। জনগণের কষ্টের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।”

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো উন্নয়ন কাজ চোখে পড়েনি। বারবার আবেদন করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। তারা মনে করেন, রাস্তার এই দুরবস্থার কারণে এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক। তাদের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করলে সাধারণ মানুষের চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হতে পারে এবং দুর্ভোগ আরও বেড়ে যেতে পারে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনগণের নিরাপদ ও স্বাভাবিক যাতায়াত নিশ্চিত করা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই তারা অবিলম্বে রাস্তা পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

এখন এলাকাবাসীর একটাই প্রশ্ন— বারবার আবেদন করার পরও এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের শেষ কবে হবে?


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ