ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে অস্থায়ী চেকপোস্টে বসিয়ে ৪ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে অস্থায়ী চেকপোস্টে বসিয়ে ৪ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

দামুড়হুদা হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

দামুড়হুদা হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

ঠাকুরগাঁও -১আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধতা ৭ই অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ ২৯অক্টোবর ভোট

ঠাকুরগাঁও -১আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধতা ৭ই অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ ২৯অক্টোবর ভোট

গাইবান্ধায় অটোবাইক চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

গাইবান্ধায় অটোবাইক চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ জিয়া মঞ্চ এর ৩৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জিয়া মঞ্চ এর ৩৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আসক সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতি হলেন ওসমানীনগরের মামুনুর রহমান

আসক সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতি হলেন ওসমানীনগরের মামুনুর রহমান

কালাইয়ে মাত্রাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব ইয়াকুব আলী মন্ডলের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

কালাইয়ে মাত্রাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব ইয়াকুব আলী মন্ডলের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

আখচাষ সম্প্রসারণে জিল বাংলা চিনিকলের মহাব্যবস্থাপকের সাথে বোয়ালমারী গ্রামের আখচাষীদের মতবিনিময়

আখচাষ সম্প্রসারণে জিল বাংলা চিনিকলের মহাব্যবস্থাপকের সাথে বোয়ালমারী গ্রামের আখচাষীদের মতবিনিময়

এফিডেভিটে বিয়ের দাবি ঘিরে বিতর্ক: পীরগাছায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর লড়াই

এফিডেভিটে বিয়ের দাবি ঘিরে বিতর্ক: পীরগাছায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর লড়াই

এফিডেভিটে বিয়ের দাবি ঘিরে বিতর্ক: পীরগাছায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর লড়াই

​রংপুরের পীরগাছায় এফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে বিয়ের পর স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারীর দাবি, বিয়ের পর দীর্ঘদিন একসঙ্গে সংসার করলেও এখন অতিরিক্ত যৌতুক না পেয়ে বিয়েই অস্বীকার করছেন ওই ব্যক্তি। ব্যবসার কথা বলে ইতিমধ্যে তাঁর কাছ থেকে চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

​অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রহিম বাদশা মিয়া। তিনি উপজেলার কৈকুড়ী ইউনিয়নের মকরপুর গ্রামের মৃত রোস্তম আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী নারী আফরোজা বেগম একই উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের পশ্চিম পাঠকশিকড় এলাকার বাসিন্দা।

​আফরোজা বেগম জানান, প্রায় এক বছর আগে প্রবাসে থাকাকালীন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রহিম বাদশার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাসে তিনি দেশে ফিরে আসার পর রহিম বাদশা তাঁকে রংপুরে নিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে বিয়ে করেন। এরপর তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন বসবাস করে আসছিলেন।

​ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের পর ব্যবসার অজুহাতে রহিম বাদশা তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন দফায় প্রায় চার লাখ টাকা নেন। সম্প্রতি তিনি আরও টাকার দাবি করেন। অতিরিক্ত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করতেই রহিম বাদশা তাঁকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করতে শুরু করেন এবং টাকা না দিলে সংসার করবেন না বলে জানিয়ে দেন।

​আফরোজা বলেন, "টাকা না পেয়ে সে আমাকে মারধরও করেছে। অধিকার আদায়ের জন্য আমি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। মামলা করার পর সে কাবিন রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা সম্পন্ন করেনি, উল্টো আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।

​এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে রহিম বাদশা মিয়া বলেন, "আফরোজা বেগমের সঙ্গে আমার কোনো বৈবাহিক সম্পর্ক হয়নি। তাঁর সব দাবি মিথ্যা। প্রকৃত সত্য আদালতেই প্রমাণ হবে।"

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন রাতে আফরোজা বেগমের বাড়িতে রহিম বাদশাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে আটকে রেখে স্ত্রীর স্বীকৃতির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। খবর পেয়ে পীরগাছা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

​পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, "ঘটনাটি আমরা অবগত আছি। তবে ভুক্তভোগী নারীর পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

​ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালত ও পুলিশের তদন্তাধীন থাকায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ঘটনার চূড়ান্ত সত্যতা উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।



আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এফিডেভিটে বিয়ের দাবি ঘিরে বিতর্ক: পীরগাছায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর লড়াই

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

এফিডেভিটে বিয়ের দাবি ঘিরে বিতর্ক: পীরগাছায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর লড়াই

​রংপুরের পীরগাছায় এফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে বিয়ের পর স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারীর দাবি, বিয়ের পর দীর্ঘদিন একসঙ্গে সংসার করলেও এখন অতিরিক্ত যৌতুক না পেয়ে বিয়েই অস্বীকার করছেন ওই ব্যক্তি। ব্যবসার কথা বলে ইতিমধ্যে তাঁর কাছ থেকে চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

​অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রহিম বাদশা মিয়া। তিনি উপজেলার কৈকুড়ী ইউনিয়নের মকরপুর গ্রামের মৃত রোস্তম আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী নারী আফরোজা বেগম একই উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের পশ্চিম পাঠকশিকড় এলাকার বাসিন্দা।

​আফরোজা বেগম জানান, প্রায় এক বছর আগে প্রবাসে থাকাকালীন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রহিম বাদশার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাসে তিনি দেশে ফিরে আসার পর রহিম বাদশা তাঁকে রংপুরে নিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে বিয়ে করেন। এরপর তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন বসবাস করে আসছিলেন।

​ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের পর ব্যবসার অজুহাতে রহিম বাদশা তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন দফায় প্রায় চার লাখ টাকা নেন। সম্প্রতি তিনি আরও টাকার দাবি করেন। অতিরিক্ত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করতেই রহিম বাদশা তাঁকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করতে শুরু করেন এবং টাকা না দিলে সংসার করবেন না বলে জানিয়ে দেন।

​আফরোজা বলেন, "টাকা না পেয়ে সে আমাকে মারধরও করেছে। অধিকার আদায়ের জন্য আমি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। মামলা করার পর সে কাবিন রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা সম্পন্ন করেনি, উল্টো আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।

​এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে রহিম বাদশা মিয়া বলেন, "আফরোজা বেগমের সঙ্গে আমার কোনো বৈবাহিক সম্পর্ক হয়নি। তাঁর সব দাবি মিথ্যা। প্রকৃত সত্য আদালতেই প্রমাণ হবে।"

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন রাতে আফরোজা বেগমের বাড়িতে রহিম বাদশাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে আটকে রেখে স্ত্রীর স্বীকৃতির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। খবর পেয়ে পীরগাছা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

​পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, "ঘটনাটি আমরা অবগত আছি। তবে ভুক্তভোগী নারীর পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

​ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালত ও পুলিশের তদন্তাধীন থাকায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ঘটনার চূড়ান্ত সত্যতা উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ