কুমিল্লায় সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার মানহানি ও অসহযোগিতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
(নিজস্ব প্রতিবেদক) কুমিল্লায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের শাখা প্রধানের বিরুদ্ধে মানহানি ও অসহযোগিতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডস্থ সোনালী ব্যাংকের শাখা প্রধান মোহাম্মদ সাজিদুর রহমান এর বিরুদ্ধে মানহানিকর ও অসহযোগিতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ লালমাই উপজেলার আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সফিকুর রহমান মজুমদার।
তিনি সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২৬) সকাল ১০ টায় তারিখে লালমাই থানা রোডস্থ লালমাই প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর বরাবর লিখিত অভিযোগে বলে,বরাবর, এমডি স্যার, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, মতিঝিল, ঢাকা। বিষয়: বিনা অনুমতিতে ১৩৩৮৩০১০০১৬৬৩ একাউন্ট থেকে টাকা কাটা প্রসঙ্গে।
জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত গ্রাহক। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা আপনার প্রতিষ্ঠানে হয়ে থাকে। আমি দীর্ঘদিন থেকে আপনার প্রতিষ্ঠানে লেনদেন করে আসছি। সোনালী ব্যাংক, সদর দক্ষিণ শাখায় আমার একটি মর্গেজ ঋন রয়েছে। একাউন্ট নং- ১৩৩৫৯৫৩০০০০২৩, লালমাই উপজেলা শাখায় আমার একটি মুক্তিযোদ্ধা ঋনও আছে। একাউন্ট নং ১৩৩৮৩০১০০১৬৬৩, মুক্তিযোদ্ধা লোন নম্বর- ১৩৩৮৩৫০০০০১০৯।
আমি চেষ্টা করে আসছি আমার লেনদেনগুলি যেন সঠিকভাবে করতে পারি। ০৭-০৪-২০২৫ ইং তারিখে আমি আমার মর্গেজ ঋনের লাভদিয়েছি ১,৯০,০০০/- (এক লক্ষ নব্বই হাজার টাকা) তারপর সদর দক্ষিণ শাখার ম্যানেজার সাহেব আমাকে অবগত করেন যে, আমার গোনটা রিনিউ করে দিবে। ম্যানেজার সাহেব আমার লোনটা রিনিউ না করে লালমাই উপজেলা শাখার মুক্তিযোদ্ধা একাউন্ট থেকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা কেটে নেয়।
আমি সদর দক্ষিণ শাখার ম্যানেজার সাহেবের নিকট জবাব চাওয়াতে ওনি আমাকে বলে যে, ভুলে কেটে ফেলছে, আর এরকম সমস্যা হবে না। আমার এক আত্মীয় হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় রোগীকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করার জন্য আমার নিকট লালমাই উপজেলা শাখায় মুক্তিযোদ্ধা একাউন্টে ১৬-১০-২০২৫ ইং তারিখে আইএফআইসি ব্যাংক, মিয়া বাজার শাখা থেকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা পাঠায়।
পরবর্তীতে আমি উক্ত টাকা উত্তোলন করার জন্য বাহক মারফত চেক পাঠাই। বাহক চেক জমা দিয়ে জানতে পারে যে, উক্ত টাকা থেকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা কর্তন করা হয়েছে। পরে বাহকে আমার একাউন্টে ৬,০০০/- (ছয় বাংলার) ঢাকা জমা দিয়ে টাকা উত্তোলন করে। এমতাবস্থায় সদর দক্ষিণ শাখায় আমার মর্গেজ ঋন রিসিও না হওয়ার কারন আমার জানা প্রয়োজন।
অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা, উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করিতে মহোদয়ের আজ্ঞা হয়।
সংযুক্তি-১। মেডিকেল সার্টিফিকেট, ২। লোন স্টেটমেন্ট, ৩। একাউন্ট স্টেটমেন্ট, বিনীত নিবেদক মোঃ সাকীক বরখান (সফিকুর রহমান মজুমদার) পিতা: মৃত আইন উদ্দিন মজুমদার মাতা: মৃত আতরের নেছা গ্রাম: আশেকের তুলাতলী ডাকঘর: গৈয়ারভাঙ্গা বাজার, লালমাই, কুমিল্লা।
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রধান কার্যালয় চাননা। পত্র গৃহীত অগ্রস। সিইও মায় মাসেজিং ডিডেটর'র সেক্রেটারিয়েট।
ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সফিকুর রহমান মজুমদার লিখিত অভিযোগের আলোকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে একটি কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লায় সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার মানহানি ও অসহযোগিতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
(নিজস্ব প্রতিবেদক) কুমিল্লায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের শাখা প্রধানের বিরুদ্ধে মানহানি ও অসহযোগিতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডস্থ সোনালী ব্যাংকের শাখা প্রধান মোহাম্মদ সাজিদুর রহমান এর বিরুদ্ধে মানহানিকর ও অসহযোগিতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ লালমাই উপজেলার আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সফিকুর রহমান মজুমদার।
তিনি সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২৬) সকাল ১০ টায় তারিখে লালমাই থানা রোডস্থ লালমাই প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর বরাবর লিখিত অভিযোগে বলে,বরাবর, এমডি স্যার, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, মতিঝিল, ঢাকা। বিষয়: বিনা অনুমতিতে ১৩৩৮৩০১০০১৬৬৩ একাউন্ট থেকে টাকা কাটা প্রসঙ্গে।
জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত গ্রাহক। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা আপনার প্রতিষ্ঠানে হয়ে থাকে। আমি দীর্ঘদিন থেকে আপনার প্রতিষ্ঠানে লেনদেন করে আসছি। সোনালী ব্যাংক, সদর দক্ষিণ শাখায় আমার একটি মর্গেজ ঋন রয়েছে। একাউন্ট নং- ১৩৩৫৯৫৩০০০০২৩, লালমাই উপজেলা শাখায় আমার একটি মুক্তিযোদ্ধা ঋনও আছে। একাউন্ট নং ১৩৩৮৩০১০০১৬৬৩, মুক্তিযোদ্ধা লোন নম্বর- ১৩৩৮৩৫০০০০১০৯।
আমি চেষ্টা করে আসছি আমার লেনদেনগুলি যেন সঠিকভাবে করতে পারি। ০৭-০৪-২০২৫ ইং তারিখে আমি আমার মর্গেজ ঋনের লাভদিয়েছি ১,৯০,০০০/- (এক লক্ষ নব্বই হাজার টাকা) তারপর সদর দক্ষিণ শাখার ম্যানেজার সাহেব আমাকে অবগত করেন যে, আমার গোনটা রিনিউ করে দিবে। ম্যানেজার সাহেব আমার লোনটা রিনিউ না করে লালমাই উপজেলা শাখার মুক্তিযোদ্ধা একাউন্ট থেকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা কেটে নেয়।
আমি সদর দক্ষিণ শাখার ম্যানেজার সাহেবের নিকট জবাব চাওয়াতে ওনি আমাকে বলে যে, ভুলে কেটে ফেলছে, আর এরকম সমস্যা হবে না। আমার এক আত্মীয় হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় রোগীকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করার জন্য আমার নিকট লালমাই উপজেলা শাখায় মুক্তিযোদ্ধা একাউন্টে ১৬-১০-২০২৫ ইং তারিখে আইএফআইসি ব্যাংক, মিয়া বাজার শাখা থেকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা পাঠায়।
পরবর্তীতে আমি উক্ত টাকা উত্তোলন করার জন্য বাহক মারফত চেক পাঠাই। বাহক চেক জমা দিয়ে জানতে পারে যে, উক্ত টাকা থেকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা কর্তন করা হয়েছে। পরে বাহকে আমার একাউন্টে ৬,০০০/- (ছয় বাংলার) ঢাকা জমা দিয়ে টাকা উত্তোলন করে। এমতাবস্থায় সদর দক্ষিণ শাখায় আমার মর্গেজ ঋন রিসিও না হওয়ার কারন আমার জানা প্রয়োজন।
অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা, উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করিতে মহোদয়ের আজ্ঞা হয়।
সংযুক্তি-১। মেডিকেল সার্টিফিকেট, ২। লোন স্টেটমেন্ট, ৩। একাউন্ট স্টেটমেন্ট, বিনীত নিবেদক মোঃ সাকীক বরখান (সফিকুর রহমান মজুমদার) পিতা: মৃত আইন উদ্দিন মজুমদার মাতা: মৃত আতরের নেছা গ্রাম: আশেকের তুলাতলী ডাকঘর: গৈয়ারভাঙ্গা বাজার, লালমাই, কুমিল্লা।
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রধান কার্যালয় চাননা। পত্র গৃহীত অগ্রস। সিইও মায় মাসেজিং ডিডেটর'র সেক্রেটারিয়েট।
ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সফিকুর রহমান মজুমদার লিখিত অভিযোগের আলোকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে একটি কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান।

আপনার মতামত লিখুন