ডেইলি বাংল সংবাদ
Post Ads 1
প্রকাশ : রোববার, ১০ মে ২০২৬

Post Ads 2

কেশবপুরে অবৈধ প্যারামেডিকেল প্রতিষ্ঠান সিলগালা

কেশবপুরে অবৈধ প্যারামেডিকেল প্রতিষ্ঠান সিলগালা
Post Ads 3

কেশবপুরে অবৈধ প্যারামেডিকেল প্রতিষ্ঠান সিলগালা

Middle Post Content 1

ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে সরকারি অনুমোদন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পরিচালিত একটি প্যারামেডিকেল প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

Middle Post Content 2

রবিবার (১০ মে ২০২৬) দুপুরে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কেশবপুর শহরের মাইকেল মোড়ে অবস্থিত “প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ) এর বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়” নামের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

Middle Post Content 3

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জাল সনদ বাণিজ্য, প্রতারণা এবং অনুমোদনবিহীন স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ ছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

Middle Post Content 1

এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জাল সনদ বিক্রি ও প্রতারণার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এ. কে. আজাদ ইকতিয়ারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে গোপনে পুনরায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

Middle Post Content 1

জানা গেছে, ২০১৬ সালে খুলনার জয়েন্ট স্টক থেকে প্রাথমিক অনুমতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন কোর্সে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের নামে অফিস পরিচালনা করা হচ্ছিল। ডিএমএফ, ডিএমএ, ডিএমএস, ডিএইচএমসি, ডিএনএ, প্যাথলজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এক্স-রে, ডেন্টাল ও নার্সিংসহ মোট ৫৬টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

Middle Post Content 1

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের নামে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো। এছাড়া দেশব্যাপী গড়ে তোলা ১০৯টি শাখা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার বেকার যুবকদের আকৃষ্ট করতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

Middle Post Content 1

সংশ্লিষ্টরা জানান, স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান করতে হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

Middle Post Content 1

যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে সিলগালা করা হয়েছে।”

Middle Post Content 1

তিনি আরও জানান, বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


কেশবপুরে অবৈধ প্যারামেডিকেল প্রতিষ্ঠান সিলগালা

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

কেশবপুরে অবৈধ প্যারামেডিকেল প্রতিষ্ঠান সিলগালা

ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে সরকারি অনুমোদন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পরিচালিত একটি প্যারামেডিকেল প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

রবিবার (১০ মে ২০২৬) দুপুরে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কেশবপুর শহরের মাইকেল মোড়ে অবস্থিত “প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ) এর বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়” নামের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জাল সনদ বাণিজ্য, প্রতারণা এবং অনুমোদনবিহীন স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ ছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জাল সনদ বিক্রি ও প্রতারণার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এ. কে. আজাদ ইকতিয়ারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে গোপনে পুনরায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে খুলনার জয়েন্ট স্টক থেকে প্রাথমিক অনুমতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন কোর্সে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের নামে অফিস পরিচালনা করা হচ্ছিল। ডিএমএফ, ডিএমএ, ডিএমএস, ডিএইচএমসি, ডিএনএ, প্যাথলজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এক্স-রে, ডেন্টাল ও নার্সিংসহ মোট ৫৬টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের নামে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো। এছাড়া দেশব্যাপী গড়ে তোলা ১০৯টি শাখা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার বেকার যুবকদের আকৃষ্ট করতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান করতে হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে সিলগালা করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ