মনপুরায় জেলেদের মাঝে বিশেষ প্রণোদনার রেশম বিতরণ অনুষ্ঠিত
মুহাঃ আশরাফুল ইসলাম, মনপুরা প্রতিনিধি : ভোলার মনপুরা উপজেলা উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে “ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় সংশোধিত)” এর আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বিশেষ প্রণোদনার রেশম ও খাদ্য সহায়তা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলেদের মাঝে বিশেষ রেশমকার্ডের আওতায় প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন এবং মনপুরা উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সরকারের এ বিশেষ কর্মসূচির আওতায় মনপুরা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত অসহায় ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মাঝে পর্যায়ক্রমে এ প্রণোদনা বিতরণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইলিশের প্রজনন ও সংরক্ষণ মৌসুমে নদীতে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের সহায়তা করতেই সরকারের এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা বলেন, “সরকার জেলেদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার সময় যাতে কোনো জেলে পরিবার অনাহারে না থাকে সেজন্য বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার আন্তরিক।”
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, “ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ। ইলিশ রক্ষায় জেলেদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের পাশে দাঁড়াতে সরকার নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।”
মনপুরা উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, মনপুরার মেঘনা নদীকেন্দ্রিক অসহায় জেলেদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ইউনিয়নে প্রণোদনা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামীকাল ৩নং উত্তর সাকুচিয়া ও ৪নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত জেলেদের মাঝেও এই সহায়তা বিতরণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, সুবিধাভোগী জেলেরা সরকারের এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের দেওয়া এই বিশেষ প্রণোদনা তাদের পরিবার পরিচালনায় অনেকটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোস্টগার্ডের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মৎস্যজীবী জেলে, সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের মাঝে প্রণোদনার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
মনপুরায় জেলেদের মাঝে বিশেষ প্রণোদনার রেশম বিতরণ অনুষ্ঠিত
মুহাঃ আশরাফুল ইসলাম, মনপুরা প্রতিনিধি : ভোলার মনপুরা উপজেলা উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে “ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় সংশোধিত)” এর আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বিশেষ প্রণোদনার রেশম ও খাদ্য সহায়তা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলেদের মাঝে বিশেষ রেশমকার্ডের আওতায় প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন এবং মনপুরা উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সরকারের এ বিশেষ কর্মসূচির আওতায় মনপুরা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত অসহায় ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মাঝে পর্যায়ক্রমে এ প্রণোদনা বিতরণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইলিশের প্রজনন ও সংরক্ষণ মৌসুমে নদীতে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের সহায়তা করতেই সরকারের এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা বলেন, “সরকার জেলেদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার সময় যাতে কোনো জেলে পরিবার অনাহারে না থাকে সেজন্য বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার আন্তরিক।”
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, “ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ। ইলিশ রক্ষায় জেলেদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের পাশে দাঁড়াতে সরকার নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।”
মনপুরা উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, মনপুরার মেঘনা নদীকেন্দ্রিক অসহায় জেলেদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ইউনিয়নে প্রণোদনা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামীকাল ৩নং উত্তর সাকুচিয়া ও ৪নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত জেলেদের মাঝেও এই সহায়তা বিতরণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, সুবিধাভোগী জেলেরা সরকারের এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের দেওয়া এই বিশেষ প্রণোদনা তাদের পরিবার পরিচালনায় অনেকটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোস্টগার্ডের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মৎস্যজীবী জেলে, সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের মাঝে প্রণোদনার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন