ডিমলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
উপজেলা প্রতিনিধি ডিমলা (নীলফামারী) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার বাবুরহাট মহিলা কলেজপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নিফতাহুল জান্নাত মাইশা (১৬) দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার তাজনগর গ্রামের ব্র্যাক কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেনের মেয়ে। পরিবারসহ তিনি ডিমলার বাবুরহাট এলাকায় বসবাস করতেন। জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতে সবাই একসঙ্গে খাবার খাওয়ার পর মাইশা নিজ কক্ষে চলে যান। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে ডাকাডাকি করেন। পরে ঘরে প্রবেশ করে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলন্ত দেখতে পান তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী সরকার জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ডিমলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
উপজেলা প্রতিনিধি ডিমলা (নীলফামারী) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার বাবুরহাট মহিলা কলেজপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নিফতাহুল জান্নাত মাইশা (১৬) দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার তাজনগর গ্রামের ব্র্যাক কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেনের মেয়ে। পরিবারসহ তিনি ডিমলার বাবুরহাট এলাকায় বসবাস করতেন। জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতে সবাই একসঙ্গে খাবার খাওয়ার পর মাইশা নিজ কক্ষে চলে যান। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে ডাকাডাকি করেন। পরে ঘরে প্রবেশ করে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলন্ত দেখতে পান তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী সরকার জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন