পরকীয়ার চরম পরিণতি: পীরগাছায় স্বামীকে পিটিয়ে ও বুকে লাথি মেরে হত্যা, প্রেমিক গ্রেপ্তার
রংপুরের পীরগাছায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে চাঁদ মিয়া (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও বুকে লাথি মেরে নির্মমভাবে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। গতরাতে উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের দিগটারী গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা মূল অভিযুক্ত প্রেমিক মাহাফুজ আহম্মেদ মিঠুনকে (৩৫) হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত চাঁদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে আসছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগে স্ত্রী মুক্তি বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী যুবক মিঠুনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি পরিবার ও এলাকায় জানাজানি হলে বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই বিবাদী পক্ষ চাঁদ মিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করে আসছিল।
ঘটনার দিন রাতে চাঁদ মিয়াকে একা পেয়ে ওত পেতে থাকা মিঠুন প্রকাশ্য রাস্তায় গালিগালাজ শুরু করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে চাঁদ মিয়া প্রাণ বাঁচাতে পাশের এক প্রতিবেশীর ঘরে আশ্রয় নিলে, খুনিরা ঘরের দরজা খুলে তাঁকে বের করে বুকে উপর্যুপরি লাথি মারে। গুরুতর জখম অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পীরগাছা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, "হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ভাগ্নে মোঃ আলম মিয়া বাদী হয়ে সুনির্দিষ্ট নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০৬) দায়ের করেছেন। মূল আসামিকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
পরকীয়ার চরম পরিণতি: পীরগাছায় স্বামীকে পিটিয়ে ও বুকে লাথি মেরে হত্যা, প্রেমিক গ্রেপ্তার
রংপুরের পীরগাছায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে চাঁদ মিয়া (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও বুকে লাথি মেরে নির্মমভাবে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। গতরাতে উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের দিগটারী গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা মূল অভিযুক্ত প্রেমিক মাহাফুজ আহম্মেদ মিঠুনকে (৩৫) হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত চাঁদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে আসছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগে স্ত্রী মুক্তি বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী যুবক মিঠুনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি পরিবার ও এলাকায় জানাজানি হলে বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই বিবাদী পক্ষ চাঁদ মিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করে আসছিল।
ঘটনার দিন রাতে চাঁদ মিয়াকে একা পেয়ে ওত পেতে থাকা মিঠুন প্রকাশ্য রাস্তায় গালিগালাজ শুরু করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে চাঁদ মিয়া প্রাণ বাঁচাতে পাশের এক প্রতিবেশীর ঘরে আশ্রয় নিলে, খুনিরা ঘরের দরজা খুলে তাঁকে বের করে বুকে উপর্যুপরি লাথি মারে। গুরুতর জখম অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পীরগাছা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, "হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ভাগ্নে মোঃ আলম মিয়া বাদী হয়ে সুনির্দিষ্ট নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০৬) দায়ের করেছেন। মূল আসামিকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন