মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা ইসকনের ৫৫ তম আন্তর্জাতিক রথযাত্রার শুভ সূচনা করলেন ।
আজ ১৭ ই জুলাই শুক্রবার, সারা দেশে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা উৎসব ও মেলা, একইভাবে ১৬ ই জুলাই বৃহস্পতিবার, দুপুর ১২ টায় , কলকাতা ইসকনের রথযাত্রা উৎসবের শুভ সূচনা করলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সকাল থেকে মেঘ পরিষ্কার থাকলেও, ঠিক দুপুর বারোটা সময়, মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথের রথের সামনে পৌঁছানোর সাথে সাথেই মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়, সারাদিন ধরে সেই বৃষ্টি চলতে থাকে, তাহার মধ্য দিয়েই শুরু হয় জগন্নাথের রথের শুভ সূচনা ও নৃত্য পরিবেশন,
সমস্ত রকম আচার অনুষ্ঠান ও আরতি এবং রথের দড়িতে ভিজে ভিজে টান দিলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবং সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা রাখলেন।
বৃষ্টিকে পিছনে ফেলে সমস্ত ভক্তরা আনন্দে মেতে উঠেছিলেন, এবং প্রত্যেকে জগন্নাথের ভোগ খাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কখন জগন্নাথের প্রসাদ একটু পাওয়া যাবে। কিন্তু কেউ প্রসাদে বাদ পড়েননি, সকলেই জগন্নাথের ভোগ গ্রহণ করেছেন।
গুরুদেবদের মন্ত্র উচ্চারণের পর, দড়িতে টান পরে ঠিক বিকেল চারটে, এরপর ভক্তদের নৃত্য ও জগন্নাথের ধ্বনির মধ্য দিয়ে রথের চাকা একটু একটু করে গড়াতে থাকে, হাজারে হাজারে ভক্ত জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা সাথে সাথে এগিয়ে চলতে থাকে, এবং ইসকনের রথ দেখার জন্য সারা রাস্তায় ভির জমে যায়, প্রশাসনের অফিসাররাও হিমশিম খেতে থাকেন ভক্তদের সামাল দিতে।
এরপর রথ গুলি এ জে সি বোস রোড ধরে, গুরুসদয় রোড ধরে, হাজরা, ভবানীপুর, রবীন্দ্র সদন এক্সসাইড, ময়দান, পার্ক স্টিট হয়ে মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে , এবং বৃষ্টির ফলে রথ পৌঁছাতে মাসির বাড়ি অনেকটাই দেরি হয়ে যায়।,
এবং এই মাসির বাড়িতেই সাত দিন কাটিয়ে আবার ফিরবেন নিজের জায়গায়, এই সাত দিন ধরে চলবে, মেলা প্রাঙ্গণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জগন্নাথের জয় গান, পূজারচনা, এবং ভোগ বিতরণ, সাত দিন ধরেই এই মেলা প্রাঙ্গণে ভোগ বিতরণ চলতে থাকবে, এবং এই মেলা প্রাঙ্গণের মধ্যে বিভিন্ন রকম জগন্নাথ দেবের জিনিস সংগ্রহ করতে পারবেন, তাহার জন্য আলাদা আলাদা স্টলও রয়েছে,
মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কয়েকটি কথাই বলেন, আজকের এই রথযাত্রার দিনে ইসকনে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন, তাহাকে যেভাবে সম্মান জানিয়েছেন তিনি সেবায়তদের কাছে কৃতজ্ঞ। এবং সেবায়তরাও জানালেন, আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ, তিনি আজকে যেভাবে নিজেও হাতে সৃষ্টি করলেন যা আগে কখনো হয়নি, এত বৃষ্টিতে ভিজেও তিনি তার সমস্ত কাজ নিজের হাতে সম্পন্ন করলেন। নারকেল ভাঙা থেকে শুরু করে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করা পর্যন্ত। আপনারাও আসুন এই সাত দিন ধরে মেলা উপভোগ করুন এবং জগন্নাথের ভোগ সংগ্রহ করুন।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা ইসকনের ৫৫ তম আন্তর্জাতিক রথযাত্রার শুভ সূচনা করলেন ।
আজ ১৭ ই জুলাই শুক্রবার, সারা দেশে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা উৎসব ও মেলা, একইভাবে ১৬ ই জুলাই বৃহস্পতিবার, দুপুর ১২ টায় , কলকাতা ইসকনের রথযাত্রা উৎসবের শুভ সূচনা করলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সকাল থেকে মেঘ পরিষ্কার থাকলেও, ঠিক দুপুর বারোটা সময়, মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথের রথের সামনে পৌঁছানোর সাথে সাথেই মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়, সারাদিন ধরে সেই বৃষ্টি চলতে থাকে, তাহার মধ্য দিয়েই শুরু হয় জগন্নাথের রথের শুভ সূচনা ও নৃত্য পরিবেশন,
সমস্ত রকম আচার অনুষ্ঠান ও আরতি এবং রথের দড়িতে ভিজে ভিজে টান দিলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবং সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা রাখলেন।
বৃষ্টিকে পিছনে ফেলে সমস্ত ভক্তরা আনন্দে মেতে উঠেছিলেন, এবং প্রত্যেকে জগন্নাথের ভোগ খাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কখন জগন্নাথের প্রসাদ একটু পাওয়া যাবে। কিন্তু কেউ প্রসাদে বাদ পড়েননি, সকলেই জগন্নাথের ভোগ গ্রহণ করেছেন।
গুরুদেবদের মন্ত্র উচ্চারণের পর, দড়িতে টান পরে ঠিক বিকেল চারটে, এরপর ভক্তদের নৃত্য ও জগন্নাথের ধ্বনির মধ্য দিয়ে রথের চাকা একটু একটু করে গড়াতে থাকে, হাজারে হাজারে ভক্ত জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা সাথে সাথে এগিয়ে চলতে থাকে, এবং ইসকনের রথ দেখার জন্য সারা রাস্তায় ভির জমে যায়, প্রশাসনের অফিসাররাও হিমশিম খেতে থাকেন ভক্তদের সামাল দিতে।
এরপর রথ গুলি এ জে সি বোস রোড ধরে, গুরুসদয় রোড ধরে, হাজরা, ভবানীপুর, রবীন্দ্র সদন এক্সসাইড, ময়দান, পার্ক স্টিট হয়ে মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে , এবং বৃষ্টির ফলে রথ পৌঁছাতে মাসির বাড়ি অনেকটাই দেরি হয়ে যায়।,
এবং এই মাসির বাড়িতেই সাত দিন কাটিয়ে আবার ফিরবেন নিজের জায়গায়, এই সাত দিন ধরে চলবে, মেলা প্রাঙ্গণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জগন্নাথের জয় গান, পূজারচনা, এবং ভোগ বিতরণ, সাত দিন ধরেই এই মেলা প্রাঙ্গণে ভোগ বিতরণ চলতে থাকবে, এবং এই মেলা প্রাঙ্গণের মধ্যে বিভিন্ন রকম জগন্নাথ দেবের জিনিস সংগ্রহ করতে পারবেন, তাহার জন্য আলাদা আলাদা স্টলও রয়েছে,
মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কয়েকটি কথাই বলেন, আজকের এই রথযাত্রার দিনে ইসকনে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন, তাহাকে যেভাবে সম্মান জানিয়েছেন তিনি সেবায়তদের কাছে কৃতজ্ঞ। এবং সেবায়তরাও জানালেন, আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ, তিনি আজকে যেভাবে নিজেও হাতে সৃষ্টি করলেন যা আগে কখনো হয়নি, এত বৃষ্টিতে ভিজেও তিনি তার সমস্ত কাজ নিজের হাতে সম্পন্ন করলেন। নারকেল ভাঙা থেকে শুরু করে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করা পর্যন্ত। আপনারাও আসুন এই সাত দিন ধরে মেলা উপভোগ করুন এবং জগন্নাথের ভোগ সংগ্রহ করুন।

আপনার মতামত লিখুন