নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল অ্যাম্বুলেন্স, সাড়ে চার বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ:- পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ও হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নির্বাচনের আগে দেওয়া অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনী প্রচারণার সময় নির্বাচিত হলে নিজ নিজ অর্থায়নে ইউনিয়ন পরিষদে একটি করে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করবেন বলে অঙ্গীকার করেছিলেন দুই চেয়ারম্যান। তবে নির্বাচিত হওয়ার সাড়ে চার বছর পার হলেও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলে জরুরি রোগী, প্রসূতি মা এবং দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় এখনো সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাকলাহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, “আমি নির্বাচিত হওয়ার পর একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছিলাম। কিন্তু সেটি সড়ক দুর্ঘটনায় সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। এখন সেটির কোনো অস্তিত্ব নেই।
তবে ওই অ্যাম্বুলেন্সটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে নিবন্ধিত ছিল কি না, বর্তমানে সেটি কোথায় রয়েছে কিংবা এ বিষয়ে কোনো নথিপত্র আছে কি না—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি আর কোনো উত্তর না দিয়ে ফোন কল কেটে দেন।
অন্যদিকে হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বলেন, “আমি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার কথা বলেছিলাম। তবে বিভিন্ন কারণে এখনও দিতে পারিনি। আগামী নির্বাচনের আগেই ইনশাআল্লাহ ইউনিয়নবাসীর জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা দ্রুত দুই ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিশ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি অ্যাম্বুলেন্স চালু হলে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও অনেকাংশে কমে আসবে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল অ্যাম্বুলেন্স, সাড়ে চার বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ:- পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ও হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নির্বাচনের আগে দেওয়া অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনী প্রচারণার সময় নির্বাচিত হলে নিজ নিজ অর্থায়নে ইউনিয়ন পরিষদে একটি করে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করবেন বলে অঙ্গীকার করেছিলেন দুই চেয়ারম্যান। তবে নির্বাচিত হওয়ার সাড়ে চার বছর পার হলেও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলে জরুরি রোগী, প্রসূতি মা এবং দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় এখনো সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাকলাহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, “আমি নির্বাচিত হওয়ার পর একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছিলাম। কিন্তু সেটি সড়ক দুর্ঘটনায় সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। এখন সেটির কোনো অস্তিত্ব নেই।
তবে ওই অ্যাম্বুলেন্সটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে নিবন্ধিত ছিল কি না, বর্তমানে সেটি কোথায় রয়েছে কিংবা এ বিষয়ে কোনো নথিপত্র আছে কি না—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি আর কোনো উত্তর না দিয়ে ফোন কল কেটে দেন।
অন্যদিকে হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বলেন, “আমি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার কথা বলেছিলাম। তবে বিভিন্ন কারণে এখনও দিতে পারিনি। আগামী নির্বাচনের আগেই ইনশাআল্লাহ ইউনিয়নবাসীর জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা দ্রুত দুই ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিশ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি অ্যাম্বুলেন্স চালু হলে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও অনেকাংশে কমে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন